মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সিটিজেন চার্টার

ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর সিটিজেন চার্টার

 

 ইসলামিক ফাউন্ডেশন

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়

ভুমিকাঃ বাংলাদেশে সু-প্রচীন কাল থেকে ইসলামী আদর্শ ও মূল্যবোধের লালন ও চর্চা হয়ে আসছে। ইসলামের এ সমুন্নত আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রচার ও প্রসার কার্যক্রমকে সহীহ ও সঠিক ধারায় বেগবান করার লক্ষি্য বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। বঙ্গবন্ধু প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন এখন সরকারী অর্থে পরিচালিত মুসলিম বিশ্বের অন্যতম একটি বৃহৎ সংস্থা হিসেবে নন্দিত। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় এ প্রতিষ্ঠান ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয় সহ বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় নিয়মিত ভাবে ইসলামের মৌলিক আদর্শ, বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব বোধ, পরমত সহিষ্ণুতা, ন্যায় বিচার প্রভৃতি প্রচার করা এবং সাংস্কৃতিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে ইসলামী মূল্যবোধ ও নীতিমালা বাসত্মবায়নের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও দেশের উন্নয়নের স্বার্থে বিভিন্ন পদক্ষিপ ও প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। তাঁরই ধারা বাহিকতায় পীর-আওলিয়া কেরাম বেষ্টিত চট্টগ্রাম জেলার কার্যক্রম ও যথারীতি চলছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম জেলায় নিন্মোক্ত উন্নয়ন প্রকল্প সমূহ ও রাজস্বখাত ভূক্ত কর্মসূচী বাসত্মবায়ন করছে।

(১) মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমঃ

           মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণ শিক্ষা কার্যক্রম ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর সর্ব বৃহৎ প্রকল্প। এ প্রকল্পের মাধ্যমে নিরক্ষরতাদূরীকরণ ও আগামী দিনে শিশুদেরকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানমূখী করার জন্য প্রাক- প্রাথমিক সত্মরের ২০১০সালে ৬২২টি প্রাক প্রাথমিক কেন্দ্রের মাধ্যমে ১৭,৪১৬ জনকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা হয়েছে। ২০১১সালে ৮৫৬টি কেন্দ্রে ২৩,১১২ জন স্কুল বিমুখ শিশুকে স্কুল মুখি করে বিভিন্ন্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা হয়েছে। ২০১২সালে প্রাক-প্রাথমিক ৯৫০টি কেন্দ্রর মাধ্যমে (প্রতিটি কেন্দ্রে ৩০জন ছাত্র-ছাত্রী করে) মোট ২৮,৫৩০ জন শিশুকে শিক্ষা দান করা হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলায় ১২টি বয়স্ক কেন্দ্রর মধ্যে (প্রতিটি কেন্দ্রে ২৫জন বয়স্ক শিক্ষর্থী) মোট ৩০০ জন বয়স্ক লোকদেরকে অক্ষর জ্ঞান দান করা হয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে নিরক্ষর জনগণকে স্বাক্ষর জ্ঞান দান করার পাশাপাশি তাদেরকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও হাঁস মুরগী পালন এবং ধর্মীয় বিষয়ে জ্ঞান দান করা হচ্ছে। ৪০৬টি সহজ কোরআন শিক্ষার কেন্দ্রের মাধ্যমে (প্রতিটি কেন্দ্রে ৩৫জন ছাত্র-ছাত্রী করে) মোট ১৪২১০ জন কোরআন বিমুখ শিশুদেরকে সহিহ ভাবে কোরআন শিক্ষা ও ইসলামী আদব আখলাক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে, বর্তমানে সর্বমোট কেন্দ্র সংখ্যা ১৩৬৯টি। এছাড়া চট্টগ্রাম জেলায় ১৬টি মডেল রিসোর্স সেন্টার ও ৩২টি সাধারণ রিসোর্স সেন্টার রয়েছে। মডেল রিসোর্স সেন্টার গুলো উপজেলা রিসোর্স সেন্টার কাম-উপজেলা অফিস হিসেবে ব্যবহার হয়। এ রিসোর্স সেন্টার গুলোতে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা ও বিভিন্ন জাতীয় ইসলামী বই সহ জনকল্যান মূলক ও শিশুতোষ বই পুসত্মক রাখা হয়। এলাকার নিরক্ষর ও জ্ঞান পিপাসু লোকজন এই রিসোর্স সেন্টার গুলোতে বিভিন্ন মনিষীর বই পড়ে তাদের মাঝে পাঠ্যভ্যাস গড়ে উঠছে।

২। মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্পঃ

(ক)     এ প্রকল্পের অধীন বিগত দিনে ৬৯৫টি মসজিদে বিনা মূল্যে বই সরবরাহ করে পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে এবং ৪৪১টি মসজিদ পাঠাগারে নতুন বই সরবরাহের মাধ্যমে উন্নত পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে। ১৬৬টি মসজিদ পাঠাগারে বিনামূল্যে আলমারী প্রদান করা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় জাতীয় ও সামাজিক সমস্যার সমাধান কল্পে জনসাধারনকে ধর্মীয় কুসংস্কার ও কুপমন্ডকতা থেকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষি্য পাঠক বৃদ্ধি সহ জাতীয় চেতনায় উদ্ধুদ্ধ করা হচ্ছে। এর ফলে আর্থ- সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

০৩। মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প

               দেশের প্রতিটি উপজেলা ও জেলায় একটি করে মোট ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন শীর্ষক ৮,৭২২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। উক্ত প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম মহানগরীতে ০২টি ও ১৫টি উপজেলায় ০১টি করে মোট ১৭টি মডেল মসজিদ ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের জায়গা নির্বাচন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তন্মধ্যে মিরশ্বরাই ও ফটিকছড়ি  উপজেলার ০২টি এবং মহানগরীর ০২টি মসজিদের জায়গা দান সূত্রে পাওয়া যাবে মর্মে সংশিস্নষ্ট কর্তৃপক্ষ হতে পত্র পাওয়া গেছে। কিন্তু রাউজান, চন্দনাইশ ও বোয়ালখালী উপজেলার জায়গা অধিগ্রহণ করে নিতে হবে মর্মে সংশিস্নষ্ট কর্তৃপক্ষ হতে পত্র পাওয়া গেছে। বাকী ১০টি উপজেলার জায়গা নির্বাচন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে অধিগ্রহণ/ক্রয় সূত্রে বাদ দিয়ে দান সূত্রে/খাস জায়গা নির্বাচনের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। চট্টগ্রাম মহানগরীর সিডিএ কল্পোলোক (বাকলিয়া) আবাসিক এলাকায় ০৫/০৪/১৮ তারিখ মাননীয় প্রধান মন্ত্রী কর্তৃক একটি মডেল মসজিদের ভিত্তিপ্রসত্মর স্থাপন করা হয়।

০৪।       জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্প

                ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের আওতায় চট্টগ্রাম মহানগরীতে একটি ও ১৪টি উপজেলায় ১৪টি জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ পাঠাগার স্থাপন কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়েছে।

০৫। জাতীয় ও ধর্মীয় দিবস উদযাপনঃ

(ক)       বিগত বছর ২০টি জাতীয় ও ধর্মীয় দিবস উদযাপন করা হয়।

(খ)        বর্তমান বছরে ইতোমধ্যে ১৩টি জাতীয় ও ধর্মীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

(গ)        বর্তমান বছরে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধে ২৮ টি সভা করা হয়।

০৬। পবিত্র রমযান মাসে তাফসীর মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

প্রত্যেক বৎসর পবিত্র রমযান মাসে মাস ব্যাপী তাফসীর মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া রমযান মাসে আন্দরকিলস্না শাহী জামে মসজিদে ১টি ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

০৭। জাতীয় শিশু কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতাঃ

জাতীয় শিশু কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা প্রতি বছর উপজেলা পর্যায়ে ১৫টি এবং জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ১টি করে ২টি অনুষ্ঠান বাসত্মবায়ন করা হয়।এতে করে ছাত্র-ছাত্রীদের সুপ্ত প্রতিভা,জ্ঞান,মেধা ও মননশীলতার বিকাশ ঘটে।

০৮। চাঁদদেখাঃ

আরবী পঞ্জিকা সন অনুযায়ী জেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে প্রতিমাসে চাঁদদেখা কমিটির সভা আয়োজন করা হয় এবং প্রধান কার্যালয়ে রির্পোট দেয়া হয়জেলা প্রশাসক মহোদয় জেলা চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি

০৯। জাতীয় ও সামাজিক বিষয়ে ভূমিকা পালন করা হয়।

(ক)       সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধে বিভিন্ন মসজিদে বুকলেট ও লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং ইমামদের জুমআ’র খুৎবায়    

           বক্তব্য প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়।

(খ)        দুর্নীতিদমন সপ্তাহ উপলক্ষি মসজিদে মসজিদে দূনীতি দমন কমিশনের বুকলেট বিতরণ করা হয়।

১০। ইমাম প্রশিক্ষণের জন্য ইমাম সংগ্রহ বাছাই ও প্রশিক্ষণে প্রেরণঃ

জেলা কোটা অনুযায়ী নিয়মিত প্রশিক্ষণের জন্য ইমাম সংগ্রহ ও জেলা কমিটির মাধ্যমে বাছাই করা হয়। বাছাই এর পর ইমামদেরকে ৪৫দিনের প্রশিক্ষণের জন্য পাহাড়তলীস্থ চট্টগ্রাম ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমীতে প্রেরণ করা হয়। কৃষি বনায়ন বাসত্মবায়ন, হাস-মুরগী ও গবাদি পশু পালন, পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন, মৎস্য চাষ, প্রাথমিক চিকিৎসা ও ইসলামিয়াত সহ ইমামদেরকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে।

১১। যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণঃ

জেলার বিত্তবানদের থেকে রমযান মাসে যাকাত সংগ্রহ করা হয় ও পরবর্তীতে দারিদ্র বিমোচনের লক্ষি্য জেলা যাকাত কমিটির মাধ্যমে বাছাই পূর্বক শরীয়া ভিত্তিক যাকাত পাওয়ার যোগ্য দুস্থ ব্যক্তি এবং গরীব, মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে যাকাতের অর্থ প্রদান করা হয়।

১২। ইফা প্রকাশনার বই বিক্রিও বইমেলায় অংশ গ্রহণঃ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন নিজস্ব প্রকাশনার মাধ্যমে কুরআন হাদিস, ইতিহাস, সাহিত্য, বিজ্ঞান, দর্শন, ফিকাহ, নবী-রাসূল ও আউলিয়া কিরামদের জীবনী, শিশুতোষ গ্রন্থ সহ প্রায় সাড়ে তিন হাজারের ও অধিক শিরোনামের বই পুসত্মক প্রকাশ করেছে। এ সব মূল্যবান গ্রন্থদি প্রধানকার্যালয় সহ সকল বিভাগ, ৬৪টি জেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে বিক্রয় করা হচ্ছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বই বিক্রয় কেন্দ্র আন্দরকিলস্না শাহী জামে মসজিদ- মার্কেটের নীচতলায় অবস্থিত।

১৩। আন্দরকিলস্ন­া শাহী জামে মসজিদের রক্ষনা-বেক্ষনঃ

এই মসজিদ টি  প্রায় ৪০০ (চারশত)  বছরের পুরাতন এবং আন্দরকিলস্না শাহী জামে মসজিদে পাঞ্জেগানা, জুম’আ ও ঈদের জামাতে নিয়মিত প্রায় ৮,০০০ হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলিস্ন একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন। জরাজীর্ন মসজিদটি পূণঃ নিমার্ন অতীব জরম্নরী।

(১৪) মার্কেট ব্যবস্থাপনাঃ

আন্দরকিল­া শাহী জামে মসজিদের ২৩৫টি দোকান সম্বলিত একটি মার্কেট আছে। মার্কেটের আয়দ্বারা মসজিদের খতিব, ইমাম ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও মেরামত- সংরক্ষণের ব্যয় নির্বাহ করা হয়।

(১৫) হজ্জ ব্যবস্থাপনাঃ

হজ্জ মৌসুমে সরকারী ব্যবস্থাপনায় হাজী সংগ্রহ করা, হাজীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ও সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়। গত বৎসর চট্টগ্রাম জেলা থেকে          জন হাজীকে সরকারী ব্যবস্থাপনায় হজ্জে প্রেরণ করা হয়।

(১৬) পাঠাগার পরিচালনাঃ

আন্দরকিল­া শাহী জামে মসজিদে ১১৭৯৮টি পুসত্মকের সমাহারে একটি পাঠাগার পরিচালিত হচ্ছে এবং প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩০ হতে ৪০ জন পাঠক বই ও পত্রিকা অধ্যয়ন করেন।

(১৭) ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টঃ

ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে দুঃস্থ ইমাম ও মুয়াজ্জিনদেরকে সুদমুক্ত ঋণ দেয়া হয়। ইতোপূর্বে ১,৯২,০০০/= (এক লক্ষ বিরানববই হাজার) টাকা ঋণ প্রদান করা হয়েছে এবং ১,১৫,০০০/- (এক লক্ষ পনের হাজার) টাকা দুঃস্থ ইমামকে ৫,০০০/= (পাঁচ হাজার) টাকা হারে আর্থিক সাহার্য্য প্রদান করা হয়। ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের নিকট সুদ মুক্ত ঋণ বাবত ৪,৫০,০০০/- (চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা এবং আর্থিক সাহাযে ১,৩৫,০০০/- প্রদান করা হবে।

১৮। পাহাড়তলী থানাধীন পুরাতন হাজী ক্যাম্প রক্ষনা বেক্ষণঃ

            প্রায় ৯.৭৫ একর জায়গা নিয়ে পাহাড়তলী থানাধীন ১৯৫২সালে প্রতিষ্ঠিত পুরাতন হাজী ক্যাম্পটি অবস্থিত। উক্ত পুরাতন হাজী ক্যাম্পটি রক্ষণা বেক্ষণ করার দায়িত্ব ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর উপর ন্যসত্ম করা হয়েছে। 

(১৯) জেলা প্রশাসন ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সাথে যোগাযোগঃ

জাতীয় ও সামাজিক ইস্যুতে জেলা প্রশাসন ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সহযোগিতা দানের নিমিত্ত ইসলামিক ফাউন্ডেশন সর্বদা প্রস্ত্তত রয়েছে।

ইসলামের প্রচার-প্রসারের লক্ষি্য জাতীয় ও ধর্মীয় গুরম্নত্বপূর্ণ দিবস উদযাপন, জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাস, নারী নির্যাতনের বিরম্নদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্ঠি, ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় আলোচনা, সেমিনার সেম্পোজিয়াম বাসত্মবায়ন, ইসলামী তাহযীব-তমদ্দুন, ইসলামী সংস্কৃতির সংরক্ষণ, জাতীয় শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা বাসত্মবায়ন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বজায় রাখার জন্য সভা, সেমিনার সিম্পোজিয়াম বাসত্মবায়ন, ইসলামের মৌলিক আদর্শ বিশ্ব ভ্রাতৃত্ববোধ, পরমত সহিঞ্চুতা, ন্যায় বিচার প্রভৃতি প্রচার করা ও প্রচারের কাজে সহায়তা করা, ইসলাম ও ইসলামের বিষয় সর্ম্পকিত বই, পুসত্মক, সাময়িকী প্রচার ও বিক্রয় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অন্যতম কাজ।

পরিচালক

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter